ঈদ উপলক্ষে শেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেল ১৬৯ পরিবার

রাজন মিয়া | প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২৩:৪৭; আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২৩:৪৭

ছবি: শেরপুর ট্রিবিউন

শেরপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে (তৃতীয় পর্যায়) আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে পাকা ঘর পেলো ১৬৯ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে শেরপুর সদর উপজেলার হলরুমে জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি ৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে ঘরের চাবি, জমির দলিল ও কবুলিয়ত হস্তান্তর করেন।

এসময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো দেশরত্ন শেখ হাসিনাও অসহায়-হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝেন। তাই বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন ও অসহায়দের স্বপ্নের ঠিকানা বাস্তবায়নে সরকার মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তারই অন্তভুক্ত হিসেবে আজ শেরপুরসহ সারাদেশে প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ পুনর্বাসিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে একসাথে এতো মানুষকে পুনর্বাসনের নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই।

জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহনাজ ফেরদৌস এর সঞ্চালনায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরী, শেরপুর পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা আফ্রাদ, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহিত কুমার দে, জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ছামিউল হক, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোবারক হোসেন, চরমোচারিয়া ইউ.পি চেয়ারম্যান এসএম সাব্বির আহমেদ খোকন, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান, উপকারভোগী বিলকিছ বেগম ও আব্দুল জলিল প্রমুখ।

এছাড়াও সকালে নকলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার ৩০টি ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি। একইভাবে নালিতাবাড়ীতে ৫০টি, শ্রীবরদীতে ২৫টি ও ঝিনাইগাতীতে ১৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলায় মোট ১ হাজার ১১৮ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ঘর পাচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৯১টি পরিবার ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৬৭টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে। এবার তৃতীয় পর্যায়ে ৩৩৯টি ঘরের মধ্যে প্রথম ধাপে পেল ১৬৯টি ঘর। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জেলায় ওইসব ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৪ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।





এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top