শেরপুরে ৪২টি অনিবন্ধিত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

রাজন মিয়া | প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২২ ২২:৫৯; আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২২ ১৮:৩৫

ছবি: শেরপুর ট্রিবিউন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সারা দেশের ন্যায় শেরপুর জেলাতেও ১০১ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে ৪২টি অনিবন্ধিত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করেছে শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনিবার (২৮ মে) সারা-দিনব্যাপী শেরপুর জেলা শহরের বটতলা থেকে সদর হাসপাতাল রোড, থানামোড়, সজবরখিলা ও খোয়ারপার এলাকাসহ জেলার ৫ টি উপজেলায় শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ি ও নকলা উপজেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ঔসময় সেই ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সরকার অনুমোদিত লাইসেন্স না থাকায় জেলা শহরের ঢাকা ল্যাব, সততা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরপুর চক্ষু হাসপাতাল এন্ড ফেকো সেন্টার, শেরপুর ইবনে সিনা জেনারেল প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শাহজালাল হেলথকেয়ার প্যাথলজি ল্যাব, মমতাজ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতি, আর এইচ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একতা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিদ্দিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খান ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিরিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গ্রীন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল মদীনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জননী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রযুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নেক্সাস ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল বারাকা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দারুশশিফা ইসলামিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঢাকা ল্যাব, হাজী নিয়ামতুল্লাহ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সাফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক, নিরাপদ জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং লাইসেন্স থাকার পরেও তা নবায়ন না করায় বেশকিছু ডায়গনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া শ্রীবরদী ৬টা, ঝিনাইগাতী ৩, না‌লিতাবাড়ী ৫, নকলা উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪২টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে জেলার সকল অবৈধ বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা তৈরি করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের এই অভিযান অব্যহত থাকবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, যাদের কে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে তারা যদি নির্দিষ্ট সময়ের নিবন্ধনের আওতায় না আসে তাদের কে বন্ধ করে দেওয়া হবে।





এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top