স্কুলের টাকা নয় ছয় ও কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য : অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

সোহাগী আক্তার | প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২২ ২১:৩৫; আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২২ ১৭:৫০

ছবি- মেহেদি হাসান সিফাত

নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ, স্বেচ্ছাচারিতাসহ সীমাহীন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নওশাদ আলীর বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও স্কুলের বিভিন্ন ফান্ডের অর্থ 'নয় ছয়' করার অভিযোগ এনে স্কুলের ডোনার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই প্রধান শিক্ষক মো. নওশাদ আলী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়াও স্কুলের ফান্ড থেকে কয়েক লক্ষাধিক টাকা ভূয়া ভাউচার দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক নওশেদ আলী আত্মসাত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়। প্রধান শিক্ষক নওশেদ আলীর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শতাধিক অভিযোগ দায়ের হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলে পার পেয়ে গেলেও এবার ফেঁসে গেছেন প্রধান শিক্ষক। ডোনার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৬ জুন তারিখে অভিযোগ দায়ের করলে জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মো. নওশেদ আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ কিছুই করতে পারবে না। আর্থিক লেনদেনের ভিডিও রয়েছে সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাকে বিভিন্ন কাজের জন্য এ টাকা দেয়া হয়েছে।

এদিকে যে স্থানে বসে টাকা লেনদেন হয়েছে সেই বাড়ির মালিক জানান, আমার মেয়েকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রধান শিক্ষক ৬ লক্ষ টাকা নিয়েছে তা ভিডিওতেই প্রমাণ করে।

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রেজুয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দেখবো।





এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top